- সিলেট টু ম্যানচেস্টার বিমানের রুট বন্ধের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
- পুলিশ সদস্যের টাকা ছিনতাইয়ের আসামী গ্রেফতার
- নগরীতে ১০ হকার আটক
- সমাজে নীতি-নৈতিকতার ঘাটতি আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে ——–তাহসিনা রুশদী
- বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ আমাদের পথ দেখাবে : তাহসিনা রুশদীর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
- সিলেট মাজার জিয়ারতে ফখরুল
- সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইলিয়াসপত্নী লুনার মনোনয়ন বৈধ ঘোষনা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
- মৌলভীবাজারে স্বামী -স্ত্রী প্রার্থী
- সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেছেন,শোকাহত দেশ!
- সিলেটে এয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৪৭ প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেন।
» শাহ আরেফিন টিলায় কবরস্থান থেকে পাথর উত্তোলন করা নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ
প্রকাশিত: ১০. মার্চ. ২০২৫ | সোমবার
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের শাহ আরেফিন টিলার মাজার সংলগ্ন কবরস্থান থেকে পাথর উত্তোলনকে কেন্দ্র করে আওয়ামিলীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ২ পক্ষের প্রায় ৬ জন ও সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ১জন আহত হয়েছেন।
রবিবার (৯ মার্চ) এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন উপজেলা আওয়ামিলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হুশিয়ার আলী, আওয়ামিলীগ নেতা আব্দুল করিম, মাসুক মিয়া, আবুল হোসেন, আব্দুর রহিম, রমজান আলী। তাদের মারামারি থামাতে গিয়ে আহত হোন বাবুলনগর গ্রামের জুয়েল আহমদ। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে শাহ আরেফিন টিলার মাজার মাঠ মসজিদ ও কবরস্থান থেকে পাথর উত্তোলন চলছে। এসব জায়গা থেকে পাথর উত্তোলনকে কেন্দ্র করে জালিয়ারপাড় ও শাহ আরেফিন বাজার এলাকায় বেশ কয়েকবার উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। রবিবার সকালে শাহ আরেফিন টিলার কবরস্থান থেকে পাথর উত্তোলন করতে শুরু করেন আওয়ামিলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হুশিয়ার আলী ও বশর মিয়া গ্রুপ। এর আগে তারা মাজার মসজিদ মাঠ ও কবরস্থানের বেশিরভাগ জায়গায় থেকে পাথর উত্তোলন করে বিলীন করে দিয়েছেন। কবরস্থান থেকে পাথর উত্তোলনে জালিয়ারপাড়ের মাসুক মিয়ার মাধ্যমে বাঁধা দেওয়ান আওয়ামিলীগ নেতা আব্দুল করিম সহ জালিয়ারপাড় গ্রামের মুরব্বিরা। এতে হুশিয়ার আলী ও বশর মিয়া গ্রুপ ক্ষিপ্ত হয়। এদিন সন্ধ্যার পর মাসুক মিয়া শাহ আরেফিন বাজারে গেলে তার উপর চড়াও হয় হুশিয়ার-বশর গ্রুপ। এর কিছুক্ষণ পর আব্দুল করিম সহ অন্যরা বাজারে গেলে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হোন। এদের মধ্যে আব্দুল করিম, আবুল হোসেন, হুশিয়ার আলী, ও জুয়েল আহমদকে সিলেটে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। সংঘর্ষের সময় বশর মিয়া পেলুডার দিয়ে বাজারের কয়েকটি দোকান ভাংচুর করেন। পরে স্থানীয় মুরব্বি ও পুলিশ এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ আদনান বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মারামারি বন্ধ করতে সক্ষম হয়। এ বিষয়ে আমরা লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া ঐ এলাকায় কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে পুলিশ টহল দিচ্ছে।
[hupso]