- দেশে প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট সিলেটে স্থাপনের পরিকল্পনা ।
- পাকিস্তানের ময়লার ভাগারে পাওয়া ছত্রাক, আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
- সিলেটে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ৯ পরিচয় সনাক্ত
- প্রতিমাসে ২৫০ কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে নিয়ে যাচ্ছে চাইনিজরা
- একে একে ভেঙে পড়ল সেতুর সাত গার্ডার
- শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি
- সিলেটে ছি ন তা ই কা রীর হাতে প্রাণ গেল র্যাব সদস্যের
- সিলেটে আবারো বাড়ছে বৃষ্টি
- সিলেটে শিশু ফাহিমার ধর্ষক হত্যাকারী গ্রেফতার
- সিলেটের জেলা প্রশাসকের বি রু দ্ধে রাস্তায় নামলেন ব্যবসায়ীরা
» দেশে প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট সিলেটে স্থাপনের পরিকল্পনা ।
প্রকাশিত: ০৭. আগস্ট. ২০২৬ | শুক্রবার
আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সিলেট নগরে দেশের প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট স্থাপন করা হচ্ছে।
সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) সংশ্লিস্টদের আশা, উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর এ প্ল্যান্ট চালু হলে নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে। বর্জ্য থেকে বিকল্প জ্বালানি উৎপাদনের পাশাপাশি একটি বৃত্তাকার অর্থনীতি গড়ে তুলতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সিসিক সংশ্লিস্টরা বায়োড্রায়িং প্রযুক্তিতে অণুজীবের প্রাকৃতিক বিপাকীয় তাপ এবং নিয়ন্ত্রিত বায়ুপ্রবাহ ব্যবহার করে গৃহস্থালি বর্জ্য, স্যুয়ারেজ স্লাজ ও কৃষিজ বর্জ্যের অতিরিক্ত আর্দ্রতা দ্রুত অপসারণ করা হয়। এতে বর্জ্য উচ্চ তাপমাত্রাসম্পন্ন জ্বালানিতে রূপান্তরের উপযোগী হয়, যা বাংলাদেশের মতো উচ্চ আর্দ্রতাসমৃদ্ধ বর্জ্যের জন্য অত্যন্ত কার্যকর প্রযুক্তি।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম দক্ষিণ সুরমার লালমাটিয়ায় সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে এসব তথ্য জানানো হয়।
এসময় প্রতিমন্ত্রী সিসিকের আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। তিনি বলেছেন, অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় সিলেট অনেক বেশি পরিচ্ছন্ন। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং খাল পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে সিসিক উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী সিসিকের সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) ঘুরে দেখেন এবং বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট স্থাপনের অগ্রগতি সম্পর্কে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় সিসিকের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার এবং প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম, এসটিএস এবং বায়োড্রায়িং প্ল্যান্টের বিভিন্ন দিক প্রতিমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমি সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম এবং নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছি। অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় সিলেট অনেক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সিসিক যেভাবে কাজ করছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”
তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গু মশা নিয়ন্ত্রণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, খাল পুনরুদ্ধারসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে সিসিক অন্য অনেক সিটি কর্পোরেশনের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে। এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে বলে আমি আশা করি।”
[hupso]