- কাজের মেয়ের অবৈধ কর্মের মাসুল দিলেন গৃহকর্তা -গৃহকর্ত্রী
- এসএসসি পরীক্ষা; প্রতিবারই পিছিয়ে পড়ছে ছেলেরা
- ৯ ফুট লম্বা চুলে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড গড়লেন রেনু
- দেশে প্রথম বায়োড্রায়িং প্ল্যান্ট সিলেটে স্থাপনের পরিকল্পনা ।
- পাকিস্তানের ময়লার ভাগারে পাওয়া ছত্রাক, আশাবাদী বিজ্ঞানীরা
- সিলেটে দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত ৯ পরিচয় সনাক্ত
- প্রতিমাসে ২৫০ কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে নিয়ে যাচ্ছে চাইনিজরা
- একে একে ভেঙে পড়ল সেতুর সাত গার্ডার
- শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি
- সিলেটে ছি ন তা ই কা রীর হাতে প্রাণ গেল র্যাব সদস্যের
» কাজের মেয়ের অবৈধ কর্মের মাসুল দিলেন গৃহকর্তা -গৃহকর্ত্রী
প্রকাশিত: ১২. আগস্ট. ২০২৬ | বুধবার
সিলেট মহানগরের কোতোয়ালি থানাধীন রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নং বাসায় ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় বাবুল মিয়া (৪০) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।সে বাবুল কসাই নামেও পরিচিত।
খুনি রায়নগর রাজবাড়ী এলাকার আক্তার মিয়ার কলোনিতে থাকে। তার বাবার নাম মৃত নূর মিয়া (কবিরাজ)।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিকালে তাকে রায়নগর এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। সে পেশায় রংমিস্ত্রি ও কসাইয়ের কাজও করে।
সিলেট মহনগরের রায়নগরের মিতালী আবাসিক এলাকার ১১১ নম্বর বাসা থেকে ব্যবসায়ী ও চেম্বার অব কমার্সের সদস্য আব্দুস সাত্তার (৮২), তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭২) এবং গৃহপরিচারিকা তাহমিনার (১৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দরজার নিচ দিয়ে রক্ত বের হতে দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ গিয়ে ভেতর থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করে।
নিহতদের ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নিহত আব্দুস সাত্তারের চার সন্তানই ইংল্যান্ড ও আমেরিকা প্রবাসী। অপর নিহত তাহমিনা (১৫) সুনামগঞ্জের ছাতকের দিনমজুর আপ্তাব মিয়ার মেয়ে; পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতা ফেরাতে কোরবানির ঈদের পর সে ওই বাসায় কাজ শুরু করেছিল।
ঘটনার পর এসএমপি কমিশনার তদন্ত ও জড়িতদের ধরতে একটি স্পেশাল টিম গঠন করে দেন। সেই টিম বিকালে অভিযুক্ত বাবুলকে আটক করে।
বাবুল মিয়া হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে- এমন তথ্য জানিয়েছেন মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (এসএমপি) সারোয়ার মোর্শেদ শামীম (বিপিএম)।
তিনি বুধবার বিকালে সাংবাদিকদের বলেন- তাকে ধরার পর সে জানায়, গৃহপরিচারিকার সঙ্গে তার কয়েক দিনের অবৈধ সম্পর্ক ছিলো। আজ সকাল ৯টা ২৫ থেকে ৩০ মিনিটের ভেতরে কোনো এক সময় বাবুল ওই বাসায় যায় এবং হয়তো গৃহপরিচারিকার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক করতে যায়। এসময় তার সঙ্গে বিরোধ দেখা দিলে বাবুল তার সঙ্গে থাকা ছুরি দিয়ে গৃহপরিচারিকাকে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে। ওই সময় কাজের মেয়ের চিৎকার শুনে আব্দুস সাত্তার ও তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে তাদেরও কোপায় বাবুল। পরে সে বারান্দা দিয়ে পালিয়ে যায়।
এসএমপি কমিশনার আরও বলেন- আটকের পর তার দেওয়া তথ্যমতে ওই বাসার পার্শ্ববর্তী একটি ঝোপঝাড়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি খোঁজা হচ্ছে।
এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে জানান এসএমপি কমিশনার।
এদিকে সিসি ক্যামেরা এড়াতে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের (লোডশেডিং) সুযোগ নিয়ে বুধবার সকালে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ওই এলাকা সিসি ক্যামেরার আওতাভুক্ত। তবে লোডশেডিংয়ের কারণে কোনো ফুটেজ পাওয়া যায়নি। দরজার নিচ দিয়ে রক্ত বের হতে দেখে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে বাসার পৃথক দুটি কক্ষ থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে।
এদিকে, বুধবার বিকাল ৪টার দিকে ৩টি লাশ ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে।
[hupso]