» রোজায় লোডশেডিংয়ে সিলেটে- সুনামগঞ্জে অতিষ্ট জনজীবন

প্রকাশিত: ০৫. এপ্রিল. ২০২৪ | শুক্রবার

একদিকে তাপদাহ ভ্যাপসা গরম। চলছে সিয়াম সাধনার পবিত্র মাস রমজান।কয়েকদিন পরেই মুসলমানদের পরম উৎসব আনন্দের ঈদ। জমে উঠেছে মানুষের কেনাকাটার মহোৎসব। সব কিছুই পন্ডু করে দিতে তাল মিলিয়ে চলছে মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং ।এইচ এসসি পরীক্ষা আসন্ন বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় হচ্ছে সমস্যা। রমজানে অফিস সময় কমিয়ে আনা হয়েছে বিদ্যুতের কারণে দাপ্তরিক কাজে ঘটছে ব্যাঘাত।বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে দাপ্তরিক কাজগুলো অর্ধেকে নেমে এসেছে। অন্যদিক হঠাৎ এই ভ্যাপসা গরমের যন্ত্রণায় শিশু-বয়োবৃদ্ধরা সম্মুখীন হচ্ছে নানা রকম রোগে । অর্থাৎ সবমিলিয়ে লোডশেডিংয়ের জন্য লাখো লাখো নগরবাসীর জীবনযাত্রা ত্রাহিত্রাহি, অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন।
সিলেটে প্রতি ঘণ্টায় হচ্ছে লোডশেডিং। দিন-রাতে আট থেকে দশবার বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে মহানগরবাসীকে। লোডশেডিং হচ্ছে সাহরি ও ইফতারের সময়ে। সিলেটে চাহিদার অর্ধেক বিদ্যুৎ সরবরাহ হওয়ায় ভয়াবহ লোডশেডিং হচ্ছে। ইদানিং ইফতারের মিনিট দুই আগে এবং সাহরির পূর্বে লোডশেডিংয়ের সময় নির্ধারণ করা হচ্ছে ফলে সারাদিনের রোজা শেষে ক্লান্ত রোজাদারদের ইফতারে ঘটছে বিড়ম্বনা এতে রোজাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বলছে, চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ না পাওয়ায় ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
আমাদের সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি জানিয়েছেন সেখানকার প্রায় প্রতিটি উপজেলায় মাত্রাতিরিক্ত লোডশেডিং হচ্ছে। লোডশেডিংয়ের পাশাপাশি বৃষ্টির আবাস পাওয়ামাত্র বিদ্যুৎ লাইন বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ঝড় তুফানে বিদ্যুৎ লাইনের ক্ষতি হলে দিনের পর দিন বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়। এনিয়ে ক্ষোভ রয়েছে সর্বত্র।

[hupso]