- একে একে ভেঙে পড়ল সেতুর সাত গার্ডার
- শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি
- সিলেটে ছি ন তা ই কা রীর হাতে প্রাণ গেল র্যাব সদস্যের
- সিলেটে আবারো বাড়ছে বৃষ্টি
- সিলেটে শিশু ফাহিমার ধর্ষক হত্যাকারী গ্রেফতার
- সিলেটের জেলা প্রশাসকের বি রু দ্ধে রাস্তায় নামলেন ব্যবসায়ীরা
- বিএনপির রাজনীতি করতাম বলে বৈষম্যের শিকার হয়েছি : আরিফুল হক
- যুদ্ধ কঠিন নয় ট্রাম্পকে বিশ্বাস করাটা ইরানিদের জন্যে কঠিন
- দ্রুত ছড়াচ্ছে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী
- চার দিন পর রোদে স্বস্তি, হাওরের কৃষকদের ধান কাটা–শুকানোর ধুম
» নতুন রূপে এসেছে করোনা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে উপকার
প্রকাশিত: ২৭. ডিসেম্বর. ২০২৩ | বুধবার
নতুন রূপে এসেছে করোনা ভারত যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিদিন বাড়ছে করোনাক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। নতুন রূপে আসা করোনা কতটা ভয়াবহ হয় সেটা নিরূপণ করা সময় না গড়ালে বোঝা যাবেনা।
জেএন.১ উপধরন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ বিশ্বজুড়ে অনেকের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি বলেছে, এবারের শীতজুড়ে জেএন.১-সংক্রমণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই।
শীতে ফ্লু ভাইরাস, রাইনোভাইরাস এবং শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসের মতো অন্যান্য মৌসুমি ভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যায়। তাদের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে কোভিড-১৯ সৃষ্টিকারী সার্স-কোভ-২ করোনাভাইরাসের আরও একটি পরিবর্তিত উপধরন জেএন.১। আমরা দেখেছি, করোনার অমিক্রন ধরনের বিভিন্ন উপধরন (যেমন এইচভি.১, বিএ ২.৮৬) গত বছর (২০২২) এবং চলতি বছরও দাপট দেখিয়েছে। বিশ্বব্যাপী প্রাণবিয়োগও ঘটেছে করোনায় আক্রান্ত লক্ষাধিক মানুষের।
এর মধ্যে প্রাণঘাতী ভাইরাস সার্স-কোভ-২–এর এই অতিসংক্রামক জেএন.১ উপধরন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপসহ বিশ্বজুড়ে অনেকের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) সতর্ক করে বলেছে, এবারের শীতে জেএন.১-এর সংক্রমণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাবে, যার প্রমাণ ইতিমধ্যেই মিলেছে। এই উপধরন যুক্তরাষ্ট্রে সেপ্টেম্বর মাসে ধরা পড়েছিল, যখন এর সংক্রমণের হার ছিল মাত্র ৩ দশমিক ৫ শতাংশ। এর সংক্রমণ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এসে দাঁড়ায় ২১ দশমিক ৩ শতাংশে। কিন্তু মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধানে (২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত) এই সংক্রমণের হার এসে দাঁড়িয়েছে ৪৪ দশমিক ২ শতাংশে।
সংক্রমণে ডিসেম্বরে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ১ হাজার ৫০০ মানুষ, যা প্রমাণ করে যে এই উপধরন নিঃসন্দেহে আরও বেশি সংক্রমণশীল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও এটিকে কড়া নজরে রেখেছে এবং করোনার এই উপধরনকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব ইন্টারেস্ট’ বা ‘আগ্রহের বৈকল্পিক’ হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করেছে। স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন ধরন জেএন.১-এর লক্ষণ আগের ধরনগুলোর মতোই। যেমন জ্বর, সর্দি, কাশি, গলাব্যথা, মাথাব্যথা, স্বাদ বা গন্ধ হারানো, ক্লান্তি ইত্যাদি। এ ছাড়া গুরুতর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, ডায়রিয়া এবং বিভ্রান্ত বোধ করা।
[hupso]এই বিভাগের আরো খবর
- প্রায় এক লক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দিবে NTRCA, গণবিজ্ঞপ্তি আজ, আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন না ৩৫ ঊর্ধ্বরা।
- ঈদের জামাত শেষে দেশ বাসীর জন্য দোয়া চাইলেন প্রধান উপদেষ্ঠা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ও জাতীয় চার নেতার স্বীকৃতি বাতিল করা হয়নিঃ মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়
- নতুন নোটের ছবি প্রকাশ করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক
- ঢাকার বিকল্প রাজধানী হতে পারে যে শহর? এআই বলছে সিলেট
