- একে একে ভেঙে পড়ল সেতুর সাত গার্ডার
- শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি
- সিলেটে ছি ন তা ই কা রীর হাতে প্রাণ গেল র্যাব সদস্যের
- সিলেটে আবারো বাড়ছে বৃষ্টি
- সিলেটে শিশু ফাহিমার ধর্ষক হত্যাকারী গ্রেফতার
- সিলেটের জেলা প্রশাসকের বি রু দ্ধে রাস্তায় নামলেন ব্যবসায়ীরা
- বিএনপির রাজনীতি করতাম বলে বৈষম্যের শিকার হয়েছি : আরিফুল হক
- যুদ্ধ কঠিন নয় ট্রাম্পকে বিশ্বাস করাটা ইরানিদের জন্যে কঠিন
- দ্রুত ছড়াচ্ছে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী
- চার দিন পর রোদে স্বস্তি, হাওরের কৃষকদের ধান কাটা–শুকানোর ধুম
» যুক্তরাজ্যে দল থেকে বহিষ্কার হলেন সিলেটের আপসানা
প্রকাশিত: ২৭. জুলাই. ২০২৪ | শনিবার
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি আপসানা বেগমকে লেবার পার্টি থেকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
পার্লামেন্টে স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টির আনা দুই সন্তানের সুবিধার সীমা তুলে নেওয়ার পক্ষে ভোট দেওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়।
টাওয়ার হ্যামলেটসের শ্যাডওয়েল তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। বাংলাদেশে তার বাবার বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে। আপসানার বাবা মনির উদ্দিন টাওয়ার হ্যামলেটসের সিভিক মেয়র ছিলেন।
গতকাল মঙ্গলবার পার্লামেন্টে নবগঠিত লেবার সরকারের প্রথম ভোটাভুটি হয়। এ সময় প্রস্তাবটির পক্ষে ১০৩ ও বিপক্ষে ৩৬৩ ভোট পড়ায় প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়। এই প্রস্তাব পাস হলে যুক্তরাজ্যে দুই সন্তানের বেশি ছেলে মেয়ের জন্যও ইউনিভার্সাল ক্রেডিট বা চাইল্ড ট্যাক্স ক্রেডিট (সামাজিক সুবিধা) দাবি করতে পারতেন মাবাবারা। বর্তমানে শুধু দুই সন্তানের জন্য এই সুবিধা পান তিনি।
প্রস্তাবটি নিয়ে পার্লামেন্টে ভোটাভুটির পরই আপসানা বেগম, জন ম্যাকডোনেল, রিচার্ড বার্গন, ইয়ান বাইর্ন, রেবেকা লং-বেইলি, ইমরান হুসেন, ও জারাহ সুলতানাকে আগামী ৬ মাসের জন্য দল থেকে বহিষ্কার করেন হুইপ। তবে পার্লামেন্টে তাদের সদস্যপদ বহাল থাকবে। এই সময় তারা স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে ভূমিকা পালন করবেন।
বহিষ্কৃত এমপিদের অধিকাংশই ছিলেন সাবেক লেবার নেতা জেরেমি করবিনের অনুসারী। যিনি স্বতন্ত্র এমপি হিসেবে পার্লামেন্টে রয়েছেন। তিনিও স্কটিশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি উত্থাপিত প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
২০১৭ সালে দুই সন্তানের সুবিধা চালু করে কনজারভেটিভ সরকার। দ্য ইনস্টিটিউট ফর ফিসকাল স্টাডিজ ধারণা করছে, দুই সন্তান সুবিধার সীমা বাতিল করলে বছরে সরকারের ৩৪০ কোটি পাউন্ড খরচ বাড়বে।
ভোট দেওয়ার আগে আপসানা বেগম ফেসবুকে লেখেন, ‘যুক্তরাজ্যের মধ্যে শিশু দারিদ্র্যের সর্বোচ্চ হারের কিছু অংশ পূর্ব লন্ডনে। আমি আজ দুটি শিশু সুবিধার সীমা বাতিল করতে ভোট দেব।’
এদিকে দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর এক্সে (সাবেক টুইটার) আপসানা লিখেছেন, ‘দুটি শিশুর সুবিধা সীমার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছি। এটি অনেক পরিবারের জন্য শিশু দারিদ্র্য এবং খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ক্রমবর্ধমান ও গভীরতর স্তরে অবদান রাখবে। দল থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি আমাকে এখন জানানো হয়েছে।’
[hupso]