- প্রতিমাসে ২৫০ কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে নিয়ে যাচ্ছে চাইনিজরা
- একে একে ভেঙে পড়ল সেতুর সাত গার্ডার
- শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি
- সিলেটে ছি ন তা ই কা রীর হাতে প্রাণ গেল র্যাব সদস্যের
- সিলেটে আবারো বাড়ছে বৃষ্টি
- সিলেটে শিশু ফাহিমার ধর্ষক হত্যাকারী গ্রেফতার
- সিলেটের জেলা প্রশাসকের বি রু দ্ধে রাস্তায় নামলেন ব্যবসায়ীরা
- বিএনপির রাজনীতি করতাম বলে বৈষম্যের শিকার হয়েছি : আরিফুল হক
- যুদ্ধ কঠিন নয় ট্রাম্পকে বিশ্বাস করাটা ইরানিদের জন্যে কঠিন
- দ্রুত ছড়াচ্ছে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী
» প্রতিমাসে ২৫০ কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে নিয়ে যাচ্ছে চাইনিজরা
প্রকাশিত: ০৬. আগস্ট. ২০২৬ | বৃহস্পতিবার
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে অনলাইন প্রতারণা ও জুয়া পরিচালনার অভিযোগে বিদেশি নাগরিকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। বাংলাদেশি উপজাতি মহিলা ঝর্ণার মাধ্যমে ভাড়া বাসা ব্যবহার করে প্রতারণামূলক কার্যক্রম করছিল চক্রটি। এর মাধ্যমে মাসে অন্তত ২০০-২৫০ কোটি টাকা পাচার করা হতো।
গ্রেপ্তাররা হলেন, ঝর্ণা চাকমা জিয়ানা (২৭), লিউ হুই জাং (৪৬), ওয়ে ইউজি (৩০) ও শে ই রান (৪২)।
রোববার (০২ আগস্ট) ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত ‘অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে বিদেশি নাগরিকসহ ৪ জন গ্রেপ্তার’ সংক্রান্ত এক সংবাদ সন্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম।
শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার (০১ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় একটি ফ্লাটে অভিযান চালায় ডিবি সাইবার ক্রাইমের একটি দল। ওই ফ্ল্যাটটি ঝর্ণা ভাড়া নিয়ে থাকতেন এবং ছয়তলা বিল্ডিং পুরোটাই চাইনিজদের ভাড়া দিয়েছেন। এরমধ্যে একতলায় উনি থাকেন। আর ৫টা ফ্লোর চাইনিজদের ভাড়া দিয়েছেন। সেখানে চাইনিজরা বিভিন্ন সময় এসে হোটেলের মতো থাকতেন।’
তিনি বলেন, ‘ওই বিল্ডিংয়ের চারতলা এবং পাঁচতলায় গিয়ে অনেকগুলো ডিভাইস জব্দ করছি। এ অবৈধ কাজে ব্যবহারের ১৪টি ল্যাপটপ ১৬টি মোবাইল ৬ হাজার সিম জব্দ করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রোভাইডারের সিম ও ২০টি গেটওয়ে মেশিন ও বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। এসময় ২ লাখ ৯ হাজার ৭০০ টাকাও জব্দ করা হয়।’
চক্রটির কাজের প্রক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সময় মোবাইলে মেসেজ আসে। যেখানে বলা হয়, অফার পেতে হলে এখানে ক্লিক করুন, চাকরির জন্য এখানে ক্লিক করুন বা অতিরিক্ত ইনকামের জন্য এখানে ক্লিক করুন। আপনি যখন ওখানে ক্লিক করবেন, তখন আপনার কাছে অফার আসে। এ অফারগুলোর জন্য আপনাকে যে পেমেন্ট করতে হবে সেটা গেটওয়ের জন্য প্রায় ৬ হাজার সিম ব্যবহার করে। আমরা সিমগুলো পেয়েছি এবং প্রোভাইডারের প্রায় ১০-১২ হাজার সিমের যে স্লটগুলো আছে, সেগুলোও পেয়েছি।’
মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘চক্রটি প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের ইএমআই নম্বর পরিবর্তন করার ফলে শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। চক্রটিকে গ্রেপ্তার করে আগামী এক মাসে বাংলাদেশ থেকে ২০০-২৫০ কোটি টাকা পাচার হওয়া থেকে বাঁচতে পেরেছি।’
তিনি বলেন, ‘এক মাসে এ একটা গেটওয়ের মাধ্যমে ২০০-২৫০ কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে জুয়া ও অবৈধ ইনকাম করে, পাচার করে নিয়ে যেত। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘অনেকগুলো চাইনিজ কোম্পানির সমন্বয়ে এ কাজগুলো হয়েছে। কাজেই অনলাইন প্লাটফর্মে লোভে পড়ে আমরা দিন দিন সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছি।’
[hupso]