- একে একে ভেঙে পড়ল সেতুর সাত গার্ডার
- শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি
- সিলেটে ছি ন তা ই কা রীর হাতে প্রাণ গেল র্যাব সদস্যের
- সিলেটে আবারো বাড়ছে বৃষ্টি
- সিলেটে শিশু ফাহিমার ধর্ষক হত্যাকারী গ্রেফতার
- সিলেটের জেলা প্রশাসকের বি রু দ্ধে রাস্তায় নামলেন ব্যবসায়ীরা
- বিএনপির রাজনীতি করতাম বলে বৈষম্যের শিকার হয়েছি : আরিফুল হক
- যুদ্ধ কঠিন নয় ট্রাম্পকে বিশ্বাস করাটা ইরানিদের জন্যে কঠিন
- দ্রুত ছড়াচ্ছে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী
- চার দিন পর রোদে স্বস্তি, হাওরের কৃষকদের ধান কাটা–শুকানোর ধুম
» গোলাপগঞ্জের কাজী ফার্মস কিচেনে প্রেম আর অশ্লীলতার অভয়ারণ্য
প্রকাশিত: ৩০. অক্টোবর. ২০২৩ | সোমবার
প্রেম আর অশ্লীলতার নিরাপদ অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছিলো সিলেটের গোলাপগঞ্জের কাজী ফার্মস কিচেন রেষ্টুরেন্ট। দীর্ঘদিন থেকে অভিযোগ ছিলো যে কাজী ফার্মস কিচেনে স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা ক্লাস ফাঁকি দিয়ে রেষ্টুরেন্টে এসে প্রেম অশালীননতায় লিপ্ত হচ্ছে অবশেষে
প্রেম করতে রেস্টুরেন্টে গিয়ে অশালিন আচরণরত অবস্থায় বেরসিক ম্যাজিস্ট্রেটের হাতে ধরা পড়েছেন ৭ যুবক-যুবতী।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা আদায় করা হয়।
এছাড়াও ওই রেস্টুরেন্ট মালিককেও ১০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে সিলেটের গোলাপগঞ্জে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী ও উঠতি বয়সের যুবক-যুবতীরা নিরাপদে প্রেম ও অশালিন কাজ-কারবারের নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নেয় গোলাপগঞ্জের কাজী ফার্মস কিচেনকে।
সোমবারও প্রতিষ্ঠানটিতে যুবক-যুবতীরা অশালিন আচরণরত- এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানে নামে উপজেলা প্রশাসন। পরে সেখান থেকে ৭জন জনকে ৫ হাজার টাকা করে ৩৫ হাজার টাকা ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে ১০ হাজারসহ মোট ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এসময় অভিযুক্ত যুবক-যুবতীরা একটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী বলে প্রথমে দাবি করে। পরে ওই প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ উপস্থিত হয়ে তাদের চিনতে পারছেন না বলে জানান।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চৌধুরী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, গোলাপগঞ্জ পৌর সভার মেয়র আমিনুল ইসলাম রাবেল, গোলাপগঞ্জ মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র সরকার, উপ-পরিদর্শক নুর মিয়া, পার্থ সারথী দাশ।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চৌধুরী বলেন, যুবক-যুবতীদের এমন কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখতে সমাজের সচেতন ব্যক্তি ও অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।
এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
[hupso]