- একে একে ভেঙে পড়ল সেতুর সাত গার্ডার
- শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অব্যাহতি
- সিলেটে ছি ন তা ই কা রীর হাতে প্রাণ গেল র্যাব সদস্যের
- সিলেটে আবারো বাড়ছে বৃষ্টি
- সিলেটে শিশু ফাহিমার ধর্ষক হত্যাকারী গ্রেফতার
- সিলেটের জেলা প্রশাসকের বি রু দ্ধে রাস্তায় নামলেন ব্যবসায়ীরা
- বিএনপির রাজনীতি করতাম বলে বৈষম্যের শিকার হয়েছি : আরিফুল হক
- যুদ্ধ কঠিন নয় ট্রাম্পকে বিশ্বাস করাটা ইরানিদের জন্যে কঠিন
- দ্রুত ছড়াচ্ছে যৌনাঙ্গ আক্রান্তকারী পরজীবী
- চার দিন পর রোদে স্বস্তি, হাওরের কৃষকদের ধান কাটা–শুকানোর ধুম
» কুয়েত থেকে বাড়ী এলো শ্যালক দুলাভাইয়ের লাশ
প্রকাশিত: ০৮. ডিসেম্বর. ২০২৪ | রবিবার
আরব উপদ্বীপের দেশ কুয়েত থেকে কফিনে করে বাড়ি এসেছে শ্যালক ও দুলাভাইয়ের নিথর দেহ। তাদের বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথে।
সে দেশে দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- বিশ্বনাথ পৌরএলাকার নরশিংপুর গ্রামের মৃত মনা উল্লাহর ছেলে কয়েছ মিয়া (৪৪) ও উপজেলার খারীকোনা গ্রামের আব্দুল গৌছের ছেলে রাসেল আহমদ (২৯)। কুয়েতে কর্মস্থলে গত ৩ ডিসেম্বর তাবুর ভেতর জেনারেটর ধোঁয়ায় শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে মারা যান দুজন।
রবিবার (৮ ডিসেম্বর) দুই প্রবাসীর মরদেহ বাড়ি পৌঁছে। এসময় দুজনের বাড়িতেই শোকের মাতম হতে দেখা যায়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, কয়েছ মিয়া কুয়েতের মরুভূমিতে একটি তাবুর মধ্যে বসবাস করতেন। সম্প্রতি তিনি কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েন। গত মঙ্গলবার অসুস্থ কয়েছকে দেখভাল করতে সেখানে যান তার শ্যালক রাসেল আহমদ। সেদিন রাতে সেখানে তীব্র ঠান্ডার কারণে তাবুর ভেতরে জেনারেটরের মাধ্যমে হিটার চালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন তারা। সকালে অন্য প্রবাসীরা গিয়ে তাবুতে তাদের মৃত দেখতে পান। পরে প্রবাসী স্বজনরা তাদের লাশ সে দেশের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান।
হাসপাতালের প্রতিবেদনে বলা হয়, জেনারেটরের ধোঁয়ায় শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে তারা উভয়ে মারা গেছেন।
কয়েছ মিয়া দীর্ঘদিন থেকে সৌদি প্রবাসী। তার স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন। ৩ মাস আগে ছুটি কাটিয়ে দেশ থেকে কুয়েত যান। আর তার শ্যালক রাসেল আহমদ ৪ বছর আগে কুয়েতে যান। ১৩ মাসের এক কন্যাসন্তান রয়েছে তার।
এদিকে, রোববার সকালে তাদের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পৌঁছায়। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে কয়েছ মিয়ার নামাজের জানাজা নরশিংপুর উত্তরের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। আর খারীকোনা গ্রামের মসজিদে জানাজা শেষে রাসেল আহমদের মরদেহ স্থানীয় কবরাস্থানের দাফন করা হয়।
[hupso]