- সিলেট টু ম্যানচেস্টার বিমানের রুট বন্ধের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
- পুলিশ সদস্যের টাকা ছিনতাইয়ের আসামী গ্রেফতার
- নগরীতে ১০ হকার আটক
- সমাজে নীতি-নৈতিকতার ঘাটতি আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে ——–তাহসিনা রুশদী
- বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ আমাদের পথ দেখাবে : তাহসিনা রুশদীর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
- সিলেট মাজার জিয়ারতে ফখরুল
- সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইলিয়াসপত্নী লুনার মনোনয়ন বৈধ ঘোষনা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
- মৌলভীবাজারে স্বামী -স্ত্রী প্রার্থী
- সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেছেন,শোকাহত দেশ!
- সিলেটে এয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৪৭ প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেন।
» সিলেটে সাংবাদিক তুরাব হত্যায় সাবেক ওসি মঈন গ্রেফতার
প্রকাশিত: ১০. নভেম্বর. ২০২৪ | রবিবার
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে সিলেটে পুলিশের গুলিতে নিহত সাংবাদিক এটিএম তুরাব হত্যা মামলায় সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈন উদ্দিন শিপনকে (৪৩) গ্রেফতার করেছে টাস্কফোর্স।
সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার সাবেক ওসি
সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে হবিগঞ্জের মাধবপুরের গোপীনাথপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মঈন উদ্দিন মাধবপুরের গোপীনাথপুরের ইমাম উদ্দিনের পুত্র।
মাধবপুর থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক তাজুল হাসান খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বর্তমানে আটক মঈন উদ্দিন মাধবপুর থানায় আছেন ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
জানা গেছে, ৫৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক মো. ইয়ার হোসেন গোপন তথ্যের মাধ্যমে খবর পান মাধবপুর উপজেলার গোপীনাথপুরে মঈন উদ্দিনের বাড়িতে অবৈধ অস্ত্রের মজুদ রয়েছে খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে বিজিবি ট্রাস্কফোর্স রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে কোনো অস্ত্র পাওয়া যায়নি, তবে মঈন উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়
শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই সিলেট মহানগরের বন্দরবাজারে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক এটিএম তুরাব। ঘটনার এক মাস পর নিহতের ভাই আবুল আহসান মো. আযরফ (জাবুর) বাদী হয়ে ১৯ আগস্ট সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।
এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল। এজাহারে আসামি হিসেবে পুলিশসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। অজ্ঞাত আসামি করা হয় ২০০ থেকে ২৫০ জনকে।
মামলার ২ নম্বর আসামি হলেন অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (ক্রাইম উত্তর) মো. সাদেক দস্তগীর কাউসার, ৩ নম্বর আসামি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার আজবাহার আলী শেখ, ৪ নম্বর আসামি সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি) মিজানুর রহমান ও ৬ নাম্বার আসামি সেসময়ের কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈন উদ্দিন।
[hupso]