- পুলিশ সদস্যের টাকা ছিনতাইয়ের আসামী গ্রেফতার
- নগরীতে ১০ হকার আটক
- সমাজে নীতি-নৈতিকতার ঘাটতি আমাদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে ——–তাহসিনা রুশদী
- বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ আমাদের পথ দেখাবে : তাহসিনা রুশদীর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
- সিলেট মাজার জিয়ারতে ফখরুল
- সিলেট-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ইলিয়াসপত্নী লুনার মনোনয়ন বৈধ ঘোষনা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
- মৌলভীবাজারে স্বামী -স্ত্রী প্রার্থী
- সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ইন্তেকাল করেছেন,শোকাহত দেশ!
- সিলেটে এয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৪৭ প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেন।
- শোকপ্রকাশ
» ভারতীয় পুলিশে বাড়ছে ভয়ংকর হিংস্রতা, মুসলিম বিদ্বেষ
প্রকাশিত: ২১. অক্টোবর. ২০২৩ | শনিবার
বিশ্বকাপের রাউন্ড রবিন লীগের ১৮তম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়া। শুক্রবার বেঙ্গালুরুর এম. চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে বাবর-রিজওয়ানদের অনুপ্রাণিত করতে ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ হর্ষধ্বনি দিচ্ছিলেন পাকিস্তানি এক ক্রিকেট ভক্ত। এতে বাধ সাধেন গ্যালারিতে দায়িত্বরত এক ভারতীয় পুলিশ সদস্য। পাকিস্তানের নামে কোনো স্লোগান দিতে নিষেধ করেন তিনি।
পাকিস্তানি ইউটিউবার মমিন সাকিবের টুইটারে পোস্টকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, এম. চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে এক পাকিস্তানি দর্শক ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিলে তাকে গিয়ে থামিয়ে দেন এক পুলিশ সদস্য। এতে সেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে সেই সমর্থক বলেন, ‘ভারত মাতা কি জয় বলতে পারলে পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলা যাবে না কেন?’
তখন সেই পুলিশ সদস্য বলেন, ‘ভারত মাতা কি জয় ভালো, কিন্তু পাকিস্তান জিন্দাবাদ ভালো না।’ প্রত্যুত্তরে সেই সমর্থক বলেন, ‘কেন নয়? পাকিস্তান থেকে এসেছি, পাকিস্তান খেলছে, তাহলে পাকিস্তান জিন্দাবাদ না বলে কী বলব?’ এরপর সেই সমর্থক ফোন বের করে বলেন, ‘আমি একটি ভিডিও বানাব। আপনি আমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বলেন যে আমি পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলতে পারব না।’ এরপর আর কোনো উত্তর দেননি সেই পুলিশ সদস্য।
মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যাওয়া ভিডিওটিতে অনেক প্রতিক্রিয়া দেখান নেটিজেনরা। বিক্রম গুপ্ত নামের এক ভারতীয় লেখেন, ‘নিজ দেশের দলকে সমর্থন করার অধিকার সকলের রয়েছে।’ একজন লিখেছেন, ‘আমি একজন ভারতীয়। কিন্তু এটা একেবারেই ঠিক হয়নি।’ আরেকজন লিখেন, ‘একজন ভারতীয় হিসেবে এই ধরনের আচরণে আমি হতাশ।’
নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াও দেখিয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকরা। একজন লিখেছেন, ‘কিসের জন্য পাকিস্তান জিন্দাবাদ? যে দেশ নিয়মিত আমাদের আক্রমণ করছে, সেই দেশের নাগরিকরা আমাদের এখানে এসে কীভাবে এটা বলতে পারে?’ একে চৌধুরী নামের একজন ভারতীয় লিখেন, ‘সন্ত্রাসবাদ এবং ক্রিকেট একইসঙ্গে চলতে পারে না।
সন্ত্রাসী দেশের জিন্দাবাদ আমাদের দেশে আমরা সহ্য করবো না। ওয়েল ডান, পুলিশম্যান!’ ভিপিন মিশরা নামের একজন কৌতুক করে লিখেন, ‘ম্যাচ হারার পর কান্না শুরু হয়ে গেলো যে, পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলতে না দেয়ায় আমরা হেরে গেছি।’
[hupso]